Wellcome to National Portal
Text size A A A
Color C C C C

সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৬ জানুয়ারি ২০২৪

আমাদের বিষয়ে

সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিট

পটভূমি

  • ১৯৭৯ খ্রিঃ সালে বাংলাদেশ সরকার, জাপানী অনুদান এবং ইউ,এন,ডিপি অনুদানে “সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন প্রকল্প” গৃহীত হয়।
  • ১৯৮৮ খ্রিঃ সালে প্রকল্পটি সংশোধিত “সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন প্রকল্প” নামে দুই বৎসর মেয়াদী ২য় পর্যায়ে অনুমোদিত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯১ খ্রিঃ এর ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বর্ধিত করা হয়।
  • প্রকল্পের আওতায় ১৯৮০-৮৩ খ্রিঃ মেয়াদে গবেষণা জাহাজ “ আর, ভি, অনুসন্ধানী” যোগে স্থানীয়/দশেীয় জনবল দ্বারা এবং ১৯৮৪-৮৭ মেয়াদে বিদেশী বিশেষজ্ঞবৃন্দের সাথে যৌথভাবে তলদেশীয় মাছ (Demersal) ও চিংড়ি এবং মহাসাগরীয় (Oceanic) বিভিন্ন বিষয়ের উপর ব্যাপক জরিপ ও গবেষণা কাজ সম্পন্ন হয়।
  • প্রকল্প চলাকালীন (১৯৮৩-১৯৯৯) ‘আর.ভি অনুসন্ধানী’ ও ‘আর.ভি মাছরাঙ্গা’র মাধ্যমে ডিমার্সেল মাছ ও চিংড়ির মজুদ এবং সর্বোচ্চ আহরণ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
  • ১৯৯৫ সালে প্রকল্পটি “সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিট” নামে রাজস্বে অন্তর্ভূক্ত হয়।

 

      জরিপ ইউনিট এর ভিশন ও মিশন

ভিশন

বঙ্গোপসাগরের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকায় মৎস্য, চিংড়ি ও অন্যান্য মৎস্য জাতীয় সম্পদের মজুদ, ‍বিস্তৃতি, প্রাচুর্যতা, প্রজননকাল ও অভিপ্রয়াণ পথ নির্ণয়।

 

মিশন

ট্রলার ও নৌযানের মৎস্য আহরণ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ এবং গভীর সমুদ্রে জরিপ কাজ পরিচালনাপূর্বক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য নীতিমালা নির্ধারণকল্পে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন ও সুপারিশমালা প্রনয়ণ।

 

  ইতোপূর্বে সম্পাদিত কার্যক্রমের ফলাফল:

  • ১৯৮০ খ্রিঃ হতে ২০০১ খ্রিঃ পর্যন্ত আর,ভি, অনুসন্ধানী কর্তৃক ৮৪টি এবং ১৯৮৬ খ্রিঃ থেকে ১৯৯৭ খ্রিঃ পর্যন্ত আর,ভি, মাছরাঙ্গা কর্তৃক ২১টি জরিপ ক্রুজ সম্পন্ন করা হয়।উল্লেখিত জরিপ ফলাফলের ভিত্তিতে তলদেশীয় মাছের গড় মজুদ ১,৫৬,০০০ মেঃ টন ও আহরণযোগ্য ফলন ৪৭,৫০০ - ৮৮,৫০০ মেঃ টন এবং চিংড়ির গড় মজুদ ৩,১০০ মেঃ টন ও আহরণযোগ্য ফলন ৭০০০- ৮০০০ মেঃ টন নিরূপন করা হয়।
  • বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক মৎস্য/ চিংড়ি সম্পদ মজুদের পরিমাণ ও সর্বোচ্চ আহরণ মাত্রা নিরূপনের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিচ্ছিন্ন ভাবে গৃহীত অনুসন্ধানী কার্যক্রমের মাধ্যমে কিছুটা ধারণা পাওয়া গেলেও বিভিন্ন জরিপের ফলাফলে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এ সকল জরপি ফলাফলরে মাছরে মজুদ ও র্সবোচ্চ আহরণের পরিমাণ বিষয়ে নিম্নরূপ ধারনা পাওয়া যায়:
বছর জাহাজ/এজেন্সী মজুদ প্রকৃতি মজুদ (মে. টন) MSY (মে. টন)
১৯৭৩ ড. ওয়েস্ট ডিমার্সাল মাছ ২,৬৪,০০০-৩,৭৩,০০০ ১,৭৫,০০০
১৯৭৮-৭৯ ড. ফ্রিডজ্জফ নানসেন ডিমার্সাল মাছ ১,৬০,০০০ ১,০০,০০০
১৯৮১-৮৩ আর,ভি,অনুসন্ধানী ডিমার্সাল মাছ ১,৫২,০০০ ৪০,০০০-৫০,০০০
১৯৮৪-৮৫ আর,ভি,অনুসন্ধানী (ল্যাম্বুফ) ডিমার্সাল মাছ ১,৮৮,০০০ ৪৮,০০০- ৮৯,০০০
১৯৭৮-৭৯ ডঃ ফ্রিডজ্জফ  নানসেন পেলাজিক মাছ ৬০,০০০- ১,২০,০০০ -
১৯৮৩-৮৫ ডঃ পেন, রশিদ, হোয়াইট ও খান চিংড়ি ৩০,০০০-৪০,০০০ ৬,০০০- ৭,০০০

                                               

গবেষণা জাহাজ “আরভী মীন সন্ধানী”

  • ২০১৬ সালে মৎস্য অধিদপ্তরের নতুন গবেষণা জাহাজ “আর ভি মীন সন্ধানী” বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ডিমার্সেল মাছ ও চিংড়ির সার্ভে শুরু করে।
  • “আর, ভি, মীন সন্ধানী” গবেষণা জাহাজ দ্বারা এখন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকারের ৪৪ টি ক্রুজ পরিচালিত হয়েছে। এ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অঞ্চল ও গভীরতায় সর্বমোট প্রাপ্ত ৪৭৬ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণীকূলের মধ্যে ৩৭১ প্রজাতির মাছ, ২৩ প্রজাতির চিংড়ি, ৩৫ প্রজাতির হাঙর ও হাউস, ৩০ প্রজাতির কাঁকড়া, ০৩ প্রজাতির লবস্টার ও ১৪ প্রজাতির সেফালোপোড সনাক্ত করে তাদের জৈব তাত্তিক তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।
  • ২০১৬-২০১৭ সাল হতে ২০২২-২০২৩ সাল পর্যন্ত সম্পাদিত সার্ভের বিবরণ
জরিপের ধরন ২০১৬-২০১৯ ২০১৯-২০২০ ২০২০-২০২১ ২০২১-২০২২ ২০২২-২০২৩ ২০২৩ পর্যন্ত
চিংড়ি সার্ভে ১০ ২২
ডিমার্সাল সার্ভে ১০ ১৫
পেলাজিক সার্ভে ০৪
স্পেশাল সার্ভে ০১
ট্রায়াল সার্ভে ০২
উপ-মোট ২৪ উপ-মোট=৪৪

     

  •   ২০১৬-২০১৯ সাল পর্যন্ত সম্পাদিত সার্ভের তথ্য ও অন্যান্য সহযোগী তথ্যের সমন্বয়ে সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিট, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম “Marine Fisheries Survey Reports and Stock Assessment 2019" প্রকাশ করে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ ও চিংড়ির মজুদ নিরুপন করে।
  •  ২০২০-২০২৩ সাল পর্যন্ত সম্পাদিত সার্ভের তথ্য ও অন্যান্য সহযোগী তথ্যের সমন্বয়ে সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিট, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম “Bangladesh Marine Fish Stock Assessment Summary Report 2023" প্রকাশ করে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ ও চিংড়ির মজুদ নিরুপন করে।

 

      অবতরন কেন্দ্রভিত্তিক উপকূলীয় মৎস্য সম্পদ জরিপ কার্যক্রম


সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সর্বোচ্চ সহনশীল মৎস্য আহরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মৎস্য অবতরন কেন্দ্রভিত্তিক সঠিক তথ্য সংগ্রহের কোন বিকল্প নেই। সেই উপলব্ধি থেকেই অবতরন কেন্দ্রভিত্তিক মৎস্য আহরণ  তথ্য সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশের ১৪ টি উপকূলীয় জেলার ৪৩ টি উপজেলা থেকে ৬০ টি নির্বাচিত তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র (স্যাম্পলিং স্টেশন) এর অগ্রাধিকার তালিকা প্রণয়ণ করে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ  ব্যবস্থাপনা ইউনিট এক্ষেত্রে রোল মডেল হিসেবে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বর্তমানে পেপার-বেজড অবতরণ কেন্দ্রভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের পরিবর্তে সাসটেইনেবল প্রকল্প কর্তৃক Kobo Toolbox/ODK Collect (Open Data Kit) এর মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে জেলা ভিত্তিক আর্টিস্যানাল ফিশারিজের উৎপাদন নির্ণয় করছে।